কেওয়াটখালী উচ্চ বিদ্যালয়

Kayotkhali High School

ময়মনসিংহ

স্থাপিত :- ১৯৬৯ ইং

প্রধান শিক্ষকের বানী

প্রিয় সুধী/শিক্ষার্থীবৃন্দ কেওয়াটখালী হাইস্কুল পক্ষ থেকে সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে প্রতিষ্ঠিত হতে হলে যথার্থ শিক্ষার বিকল্প নেই। আর এ জন্যে প্রয়োজন শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকসহ সংশ্লিষ্ট সকলের ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস। আমাদের লক্ষ্য পাশের হার ১০০% নিশ্চিত করা, প্রত্যেক শিক্ষার্থীর সমান সুযোগ সুবিধা প্রদান। বার্ষিক কর্ম পরিকল্পনা অনুযায়ী নিজ দায়িত্ব, সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করা। সবার ভালবাসা, আকুন্ঠ সমর্থন ও অনিঃশেষ সহযোগিতার মাধ্যমে আমরা সাফল্যকে ছুঁতে চাই। আলোকিত ভবিষ্যৎ গড়তে চাই। আমাদের স্বপ্ন জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০ অনুযায়ী যুগোপযোগী, নৈতিক, আদর্শবান, দেশপ্রেমিক ও আলোকিত শিক্ষার্থী গড়ে তোলা। আমাদের প্রেরণা পারস্পরিক সৌহার্দ ও সম্প্রীতির বন্ধন দৃঢ় করা। বিশ্বাস ও সতর্কতার সাথে অতি প্রত্যাশিত স্কুল উন্নয়নের স্বপ্নিল আশা, পরিকল্পনা ও উদ্যোগগুলো ঐকান্তিক চেষ্টার মাধ্যমে সফলভাবে সম্পন্ন করা।

সভাপতির বানী

পরম করুনাময় ও দয়ালু আল্লাহর নামে। সমস্ত প্রশংসা নিখিল জাহানের রব, পরম করুনাময় ও অসীম দয়ালু বিচার দিনের মালিক আল্লাহর জন্য। শুরুতে আমি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির শ্রদ্ধাভাজন প্রতিষ্ঠাতা মরহুম জৈন উদ্দিন সরকার সাহেবের প্রতি সুগভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি যিনি ছিলেন একজন অদম্য সাহসী, দানশীল ও সমাজ সচেতন ব্যক্তি । ১৯৬৯ খ্রিষ্টাব্দে মাধ্যমিক বিদ্যালয় হিসাবে যাত্রা শুরু করে। শিক্ষার বিকাশমান উৎকর্ষের যুগে আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবস্থান কোথায় তা মূল্যায়ন করা ও ভেবে দেখার এখনই সময়। দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার সাথে সংগতি রেখে মেনেগিং কমিটি, শিক্ষক, অভিভাবক, সচেতন জনগোষ্টি যার যার দিক থেকে আমাদেরকে এগিয়ে যেতে হবে। পরিকল্পিতভাবে আমরা যদি এগুতে পারি তাহলে ধীরে ধীরে হলেও উচ্চ মানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার কাংখিত লক্ষ্যে আমরা পৌঁছতে পারব ইন-শা-আল্ল¬াহ্। এ অভিপ্রায় ও বাসনা নিয়ে দেশ, জাতি ও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধ ও নিবেদিত থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটিতে বিদ্যার উৎকর্ষ সাধনে সকলেই সম্মিলিতভাবে সচেষ্ট হবো এটাই প্রত্যাশা। শিক্ষাক্ষেত্রে শিক্ষকম-লীর দীর্ঘ দিনের অভিজ্ঞতাকে পুজি করে তাদের জীবন জীবিকার পবিত্র স্থান শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিকে সর্বোত্তম শিক্ষার পাদপিঠ হিসাবে সাজানোর সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবেন। বিগত বছরগুলোর সফলতা ব্যর্থতা মূল্যায়ন করে তারা সামনে এগোনোর জন্যে উজ্জীবিত হবেন। আদর্শ, দায়িত্বজ্ঞান, বিদ্যা ও বুদ্ধির একীভুতকরণ এবং তার আলোকে সকল সমস্যা সমাধানান্তে যে কোন মহৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন যে সম্ভব তার প্রকৃষ্ঠ উদাহরণ হিসাবে আমারা “কেওয়াটখালি উচ্চ বিদ্যালয়টিকে” প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। সুশিক্ষার জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সুন্দর পরিবেশ, নিয়ম শৃংখলা, উন্নত কলাকৌশলসহ সুষ্ঠু পরিকল্পনা গ্রহন এবং তার সঠিক/যথাযথ প্রয়োগ ও বাস্তবায়ন এতান্ত প্রয়োজন। শুধুমাত্র প্রতিষ্ঠানের একক উদ্যোগ, মানসিকতা, ও চেষ্টার দ্বারা কোন কাজের সফল বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। শিক্ষার্থীদের সুশিক্ষা নিশ্চিত করণ, চরিত্র গঠন এবং ব্যক্তিত্বের সুষ্ঠু বিকাশের গুরু দায়িত্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অভিভাবক ও সমাজের সচেতন জনগোষ্টির যৌথ উদ্যোগ ও দায়িত্বশীলতার ভিত্তিতে সুসম্পন্ন হয়ে থাকে। মহৎ ইচ্ছা,  চেষ্টা ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে দায়িত্ব ও কর্তব্য সুচারুরূপে পালনের নিরন্তন প্রচেষ্টা অব্যাহতভাবে চালিয়ে যেতে হবে। মহান সৃষ্টিকর্তা আমাদের সহয় হোন।

দিন পঞ্জিকা